logo

মহাসড়কে ভ্রাম্যমাণ দোকান, উচ্ছেদ নিয়ে ওসির ‘অজুহাত’

মহাসড়কে ভ্রাম্যমাণ দোকান, উচ্ছেদ নিয়ে ওসির ‘অজুহাত’

গাজীপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের একাংশ দখলে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। দখলে থাকার কারণে মহাসড়কের উত্তরবঙ্গমুখী দুই লেনের একটিতে যানবাহন চলাচল করতে পারে না। ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়ক থেকে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে জোর দিয়েছে প্রশাসন। তবে লোকবল সংকটের অজুহাত দেখিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেনি সংশ্লিষ্ট হাইওয়ে থানা পুলিশ।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় হয়ে উত্তরবঙ্গের প্রায় ১৯-২০ জেলার মানুষ ঘরে ফেরেন। ঈদযাত্রায় প্রতি বছর এই মহাসড়কের কোনাবাড়ি, মৌচাক, সফিপুরসহ আরও কয়েকটি স্থানে যানবাহনের দীর্ঘ জট থাকে। চন্দ্রাকেন্দ্রিক এই যানজট ছাড়িয়ে যায় কয়েক কিলোমিটারজুড়ে। এতে প্রতিবছর ঈদযাত্রায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিড়ম্বনায় পড়েন ঘরমুখো মানুষ।

সরেজমিন দেখা যায়, গত কয়েক দিনের তুলনায় শনিবার (১৪ মার্চ) থেকে উত্তরবঙ্গমুখী যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে কোনাবাড়ি, সফিপুর, মৌচাক, পল্লিবিদুৎ, চন্দ্রা এলাকায় মহাসড়কের এক লেন দখল করে আছে ভ্রাম্যমাণ দোকান।

চন্দ্রাকেন্দ্রিক সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি (অপারেশনস-উত্তর) মো. রফিকুল হাসান গণি গত বুধবার (১১ মার্চ) নির্দেশ দেন, মহাসড়কে ভ্রাম্যমাণ দোকান উচ্ছেদ, অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং বন্ধ ও অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশকে জোরালভাবে সক্রিয় থাকতে হবে। তার নির্দেশনার পর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি নাওজোর হাইওয়ে পুলিশকে।

জানতে চাইলে নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওগাতুল আলম এশিয়া পোস্টকে বলেন, আমরা উচ্ছেদ করব না, এটা তো বলিনি। আমাদের জনবল ঘাটতি আছে। সংকট কাটিয়ে অভিযান চালানো হবে।