অনশনের পর প্রাথমিকের নিয়োগপত্র পেলেন ময়মনসিংহের ২০ জন

নিয়োগপত্রের দাবিতে অনশনে বসা ময়মনসিংহের ২২ প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। অন্য দুই প্রার্থীর নিয়োগ ঝুলে আছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে ২০ জনের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। এর আগে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে নেতিবাচক তথ্য থাকার কথা জানিয়ে ২২ প্রার্থীর নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়েছিল।
এ অবস্থায় বুধবার বেলা সোয়া ১১টা থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সামনে অনশন শুরু করেন তারা।
তখন অনশনকারীরা দাবি করেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ময়মনসিংহ জেলায় মোট ২৫৯ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ২১৯ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। পরে আরও দুজন নিয়োগপত্র পেলেও একই নিয়োগ প্রক্রিয়ার ২২ জন নিয়োগপত্র পাননি।
নিয়োগপত্র পাওয়াদের মধ্যে আছেন ত্রিশাল উপজেলার চরপাড়া গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, মধ্যরাতে ওয়েবসাইটে নিয়োগপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এতে আমি খুশি।
নিয়োগপত্র পেয়েছেন মুক্তাগাছার গজিয়া গ্রামের বার্কম্যান ডিব্রুর ছেলে বিশ্বজিৎ আন্তনী দাঃগো।
তিনি বলেন, আমি কোনো রাজনৈতিক দলের পদ- পদবিতে নেই। কোনো মামলার আসামিও না। তবুও নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়েছিল। এখন নিয়োগ পাওয়ায় আমিও খুশি।
নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের একজন গফরগাঁওয়ের জাহিদ হাসানের দাবি, তিনি কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবিতে ছিলেন না। তারপরও কেন নিয়োগপত্র পাননি, তা তিনি জানেন না।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ জেলায় মোট ২৫৯ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। এর মধ্যে ১৮ জন কোনো কাগজপত্র জমা দেননি। বাকি ২৪১ জনের মধ্যে ২১৯ জনকে আগেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে গোয়েন্দা প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২২ জনের নিয়োগ স্থগিত হয়েছিল।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ২০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজনের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।
