logo

পায়রা নদীতে ভেসে উঠল নিখোঁজ জেলের মরদেহ

পায়রা নদীতে ভেসে উঠল নিখোঁজ জেলের মরদেহ
ওমর আলী গাজী। ছবি : পারিবারিক সূত্রে পাওয়া

বরগুনার আমতলীতে ইলিশের জাল ও মাছ ধরার সরঞ্জাম তুলতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার দুদিন পর ওমর আলী গাজী (৫৫) নামে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া এলাকার পায়রা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ওমর আলী গাজীর মরদেহ শনাক্ত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আমতলী উপজেলার লোচা এলাকায় পায়রা নদীতে ইলিশ ধরার জাল ও মাছ ধরার সরঞ্জাম তুলতে গিয়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ওমর আলী গাজী। এ সময় তার সঙ্গে থাকা জেলে জলিলুর রহমান তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও উপজেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তবে বুধবার দিনভর অভিযান চালিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার সকালে তেঁতুলবাড়িয়া এলাকায় পায়রা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা গ্রাম পুলিশ ও নৌ পুলিশকে খবর দেন। পরে নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহটি উদ্ধার করে নদীর তীরে নিয়ে আসে। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি ওমর আলী গাজীর বলে শনাক্ত করেন।

নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তেঁতুলবাড়িয়া এলাকার গ্রাম পুলিশ সেলিম মিয়া বলেন, নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে তারা তালতলী নৌ পুলিশ ও থানা-পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিখোঁজ জেলের ছোট ভাই আক্কেল আলী গাজী বলেন, তেঁতুলবাড়িয়া এলাকার স্থানীয়রা ফোন করে মরদেহ পাওয়ার খবর দিলে তিনি সেখানে গিয়ে বড় ভাইয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন।

এ বিষয়ে তালতলী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র বলেন, পায়রা নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা তাদের খবর দেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহটি উদ্ধার করে তীরে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দুদিন আগে আমতলীতে ইলিশ ধরার জাল তুলতে গিয়ে ওমর আলী গাজী নিখোঁজ হয়েছিলেন। তার পরিবারের সদস্যরা এসে মরদেহ শনাক্ত করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।