যাত্রী ওঠানো কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২০

সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের ছাতক উপজেলার বড় কাপন পয়েন্টে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাত্রী ওঠানো কেন্দ্র করে বাস ও সিএনজি শ্রমিক-মালিকপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে বড় কাপন পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের কারণে কিছু সময় সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বড় কাপন পয়েন্ট থেকে জাউয়া বাজারগামী তিনজন যাত্রী দক্ষিণ বড় কাপন গ্রামের সাদিক মিয়ার সিএনজিতে ওঠেন। এ সময় বাস মালিক সমিতির পয়েন্ট ম্যানেজার ছাত্তার মিয়া সাদিক মিয়াকে যাত্রী না তুলতে বলেন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে সাদিক মিয়া ও তার বাবাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। পরে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
বড় কাপন পয়েন্ট সিএনজি শ্রমিক সমিতির সভাপতি কপিল উদ্দিন বলেন, যাত্রী ওঠানোকে কেন্দ্র করে প্রথমে সাদিক মিয়াকে এবং পরে তার বাবাকে মারধর করা হয়। সংঘর্ষে তাদের পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ১৫ থেকে ২০টি সিএনজি ভাঙচুরের অভিযোগও করেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাস মালিক সমিতির পয়েন্ট ম্যানেজার ছাত্তার মিয়া। তিনি বলেন, বাসের তিনজন যাত্রীকে সিএনজিতে তুলে নেওয়াকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে তাদের পক্ষের ১৫ থেকে ১৬ জন আহত হয়েছেন। সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুরের অভিযোগও তিনি নাকচ করেন।
ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, যাত্রী ওঠানো কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ১০ জন আহত হওয়ার এবং ৮ থেকে ১০টি সিএনজি ভাঙচুরের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
