logo

বাসস্ট্যান্ড থেকে তুলে নিয়ে নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বাসস্ট্যান্ড থেকে তুলে নিয়ে নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

রাজবাড়ীর পাংশা পৌর এলাকায় বাসস্ট্যান্ড থেকে এক নারীকে জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদি হয়ে তিনজনকে আসামি করে পাংশা মডেল থানায় মামলা করেছেন। ইতোমধ্যে পুলিশ এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মার্চ দুপুরে ওই নারী পাংশা পৌর শহরের পারনারায়ণপুর এলাকায় পরিচিত একজনের সঙ্গে দেখা করতে যান। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় একটি মাইক্রোবাসে আসা কয়েকজন তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়।

অভিযোগে বলা হয়, গাড়ির ভেতরে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের চেষ্টা করা হলে তিনি বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মাইক্রোবাসের পেছনের সিটে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন হাসিবুর রহমান অন্তর, রাশেদুজ্জামান ওরফে রাশেদ এবং মো. বরকত মুন্সী।

ঘটনার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভুক্তভোগীকে একটি অজ্ঞাত স্থানে নামিয়ে দেওয়া হয়। পরে একটি অটোরিকশায় করে তিনি কুষ্টিয়া সদর থানায় পৌঁছান। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় তিনি পাংশা মডেল থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আব্দুল গণির নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত ৮টার দিকে পাংশা বাজার এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রাশেদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযুক্তদের মধ্যে হাসিবুর রহমান অন্তর পাংশা পৌর শহরের কুল্টিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় তরুণদলের সভাপতি। অন্যদিকে রাশেদুজ্জামান উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের ধানুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং বরকত মুন্সী নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা।

পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি দুজনকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষাসহ অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।