ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা/দ্বিতীয় দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপিপুত্র মিন্টু

নাটোরের গুরুদাসপুরে ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার নাটোর-৪ আসনের বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের ছেলে যুবদল নেতা নুরুজ্জামান মিন্টুকে দ্বিতীয় দফায় দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে ডিবি কার্যালয় থেকে নুরুজ্জামান মিন্টুকে নাটোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাকে গুরুদাসপুর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাকে কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম জানান, শাকিল হত্যা মামলার অধিকতর তদন্তের স্বার্থে আদালতের অনুমতি নিয়ে নুরুজ্জামান মিন্টুকে দ্বিতীয় দফায় দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। রিমান্ড শেষে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে, গত ২৬ অক্টোবর রাতে শাকিলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে নাটোরের গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের ছেলে ও গুরুদাসপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান মিন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পরদিন তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে দ্বিতীয় দফায় আরও দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয় তাকে।
নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম জানান, ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম হত্যা মামলার তদন্ত গুরুত্বের সঙ্গে চলছে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে। এ পর্যন্ত এ মামলায় মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে।
গত ১৪ অক্টোবর রাতে গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকৈড় বাজারপাড়া এলাকায় হামলার শিকার হন শাকিল। পরে ২৬ অক্টোবর রাতে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাকিল ইসলাম।
-fdbfc8.jpg)