logo

পাবলিক টয়লেটের জায়গায় ‘বিএনপির কার্যালয়’, ভেঙে দিলেন এমপি

পাবলিক টয়লেটের জায়গায় ‘বিএনপির কার্যালয়’, ভেঙে দিলেন এমপি
এমপির উপস্থিতিতে পাবলিক টয়লেটের জায়গা দখল মুক্ত করা হয়। ছবি: এশিয়া পোস্ট

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে চরজুবিলী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বিএনপির নাম ভাঙিয়ে সরকারি পাবলিক টয়লেটের জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নোয়াখলী-৪ এর সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহানের নজরে আসার পর নিজে উপস্থিত থেকে সেটি ভেঙে দিয়ে দখলমুক্ত করেন।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে মো. শাহজাহান বিকেলে ছুটে আসেন ঘটনাস্থলে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে নিজে উপস্থিত থেকে ঘরগুলো ভেঙে দেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাজারের ওই সরকারি জায়গাটিতে পাবলিক টয়লেটের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু গত ১০ বছরের বেশি সময় ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জায়গাটি দখল করে তাদের দলীয় কার্যালয় করে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর জায়গাটি পুনরায় দখল করে বিএনপি নামধারী একটি কুচক্রী মহল। সেখানে তারা বেশ কয়েকটি দোকান ঘর তুলে সেগুলো ভাড়া দেয়। সেখানে বিএনপির কার্যালয়ের নামে একটি সাইনবোর্ডও টনানো হয়। পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি এমপিকে অবগত করেন।

স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান ওই স্থানটি পরিদর্শন করেন। ঘটনার সত্যতা পেয়ে তিনি নিজে উপস্থিত থেকে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় নেতাকর্মীদের নিয়ে ওই জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে দিয়ে সরকারি পাবলিক টয়লেটের জায়গাটি দখলমুক্ত করেন।

নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখু বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান এর উপস্থিতিতে অবৈধভাবে দখলকৃত সরকারি জায়গাটি দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের নিয়ে আমরা দখলমুক্ত করেছি। দলের ত্যাগী নেতারা কখনও সংগঠন বহির্ভূত এসব কর্মকাণ্ডের সাথে জড়াবে না। দখলমুক্ত এই সরকারি জায়গাটি জনসাধারণের কাজে ব্যবহার করা হবে।

এমপি মো. শাহজাহান বলেন, সরকারি জায়গা দখল করার সুযোগ কারও নেই। সরকারি জায়গায় সরকার যদি বরাদ্দ দেয় সেটি জনস্বার্থে ব্যবহার হবে। কোনভাবে সেটিকে ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না। ব্যক্তি স্বার্থে সরকারি বা জনসাধারণের ব্যবহারের জায়গা দখল করে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করার সুযোগ নেই।

এসময় তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সরকারি ও পাবলিকের জায়গা দখল এবং দলীয় পরিচয়ের অপব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।