logo

নেতাকর্মীদের সঙ্গে শেখ হাসিনার জুম মিটিং অপপ্রচার: রাশেদ খাঁন

নেতাকর্মীদের সঙ্গে শেখ হাসিনার জুম মিটিং অপপ্রচার: রাশেদ খাঁন
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। ছবি: এশিয়া পোস্ট

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার জুম মিটিং অনুষ্ঠিত হওয়ার দাবিকে অপপ্রচার বলে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে এশিয়া পোস্টকে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা কালীগঞ্জের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জুম মিটিং করেছেন এমন দাবি সত্য নয়। এটি আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ছড়ানো অপপ্রচার হতে পারে।

রাশেদ খাঁন বলেন, আওয়ামী লীগ এ০কটি নিষিদ্ধ দল। শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন এবং দেশে ফিরে এলে তাকে আইন অনুযায়ী বিচারপ্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে। ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন—এমন প্রচারণাও অপপ্রচার বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, কালীগঞ্জে শেখ হাসিনা জুম মিটিং করেছেন—এমন তথ্যের কোনো সত্যতা নেই। প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে, বৃহস্পতিবার দুপুরে শেখ হাসিনা কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে যুক্ত হন বলে দলটির কয়েকজন নেতাকর্মী দাবি করেন। তাদের ভাষ্য, বৈঠকে উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী অংশ নেন। বৈঠকে সংগঠনের সাংগঠনিক বিষয়সহ নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেওয়া হয় বলেও তারা জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী দাবি করেন, বৈঠকটি দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলে। এ সময় কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ শূন্য থাকায় সিনিয়র সহসভাপতি শামীম আরা মান্নানকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে সংগঠন গোছানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শামীম আরা মান্নান আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত আব্দুল মান্নানের স্ত্রী। সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মৃত্যুর পর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদটি শূন্য রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেখ হাসিনার জুম মিটিংয়ের বিষয়ে একটি পোস্ট তিনি দেখেছেন। তবে বৈঠকটি কখন, কোথায় বা আদৌ হয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশের কাছে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ খোঁজখবর নিচ্ছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনার সঙ্গে কথিত ভার্চুয়াল বৈঠকের বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব হোসেনসহ দলটির কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।