চার লেন প্রকল্পে হবিগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্তদের ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ

ঢাকা-কাঁচপুর-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ ও উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত হবিগঞ্জের ভূমির মালিকদের মধ্যে ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ বিতরণ করা হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বাহুবলের মিরপুর বাজারসংলগ্ন মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২৪টি চেকের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের হাতে ক্ষতিপূরণের অর্থ তুলে দেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি এম সরফরাজ।
জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মঈনুল হক ও বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। ক্ষতিপূরণ গ্রহণকারী ভূমির মালিকরাও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক জানান, প্রকল্পের আওতায় হবিগঞ্জ জেলায় মোট ৩০টি ভূমি অধিগ্রহণ মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২১টি মামলায় স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল আইন, ২০১৭-এর ৮ ধারার উপধারা ৩(ক)-এর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পাঁচটি মামলার ক্ষতিপূরণের অর্থ ছাড়ের কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বাস্তবায়নকারী সংস্থা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রক্রিয়াধীন। বাকি চারটি মামলার কার্যক্রমও বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান। প্রকল্পের আওতায় হবিগঞ্জে এ পর্যন্ত প্রায় ১৪৯ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের প্রায় ১৮ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ বলেন, প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়নে ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম আইনানুগভাবে সম্পন্ন করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এ কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে।
ঢাকা (কাঁচপুর)-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ ও উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ প্রকল্পটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, সড়কের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যাত্রী ও পণ্য পরিবহন আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
