logo

রাতে তীব্র যানজটের পর সকালে বৃষ্টির কবলে ঘরমুখো মানুষ

রাতে তীব্র যানজটের পর সকালে বৃষ্টির কবলে ঘরমুখো মানুষ
ছবি: এশিয়া পোস্ট

রাত পোহালেই ঈদ। যারা এখনও বাড়ি পৌঁছাতে পারেননি তারা ছুটছেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে। রাতভর মহাসড়কে তীব্র যানজটের ভোগান্তির পর সকাল থেকে তুমুল বৃষ্টির কবলে পড়েন বিভিন্ন রুটের যাত্রীরা। এখনও পরিবহনের অপেক্ষায় শতশত মানুষ।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুর থেকেই গাজীপুরের দুটি মহাসড়কে মানুষর ঢল নামে। যানজটে ভোগান্তিতে পড়েন ঘরমুখো যাত্রীরা। তারপর ধীর গতিতে গাড়ি চলাচল করলেও রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৩০ কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজটে পড়েন যাত্রীরা।

কয়েক কিলোমিটার পাড়ি দিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এরমধ্যে দেখা দেয় পরিবহন সংকট।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা পূর্ব পাশের ১০ কিলোমিটার পাড়ি দিতে ১০ ঘণ্টা সময় লেগেছে। রাতে বিভিন্ন স্থানে পরিবহনগুলো কয়েক ঘণ্টা স্থির দাঁড়িয়ে ছিল। ভোরের দিকে কিছুটা স্বাভাবিক হওয়া শুরু করলেও হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়।

বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তুমুল বৃষ্টি শুরু হওয়ায় মহাসড়কে চরম ভোগান্তিতে পড়েন ঘরমুখো মানুষ। এখনও চন্দ্রা, সফিপুর, পল্লী বিদ্যুৎসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় শত শত যাত্রী পরিবহনের অপেক্ষায় রয়েছেন। অনেকেই বৃষ্টি ভিজে ট্রাক ও পিকআপে করে বাড়ি ফিরছেন।

আলী হাসান নামে এক যাত্রী বলেন, চৌরাস্তা থেকে চন্দ্রা ত্রিমোড় আসতে এক ঘণ্টা সময় লাগে। অথচ আমি গতকাল রাতে রওনা হয়েছিলাম আজ ভোরে পৌঁছেছি। বৃষ্টি হওয়ার কারণে যানজট আরও বেড়েছে। যারা বাসে যাচ্ছে তারা তবুও ভালো আছে কিন্তু ট্রাক বা পিকআপে যারা যাচ্ছেন তাদের অবস্থা খারাপ।

সেতারা খাতুন নামে এক যাত্রী বলেন, ১০ দিনের ঈদের ছুটি রাস্তায় আমাদের দুই দিন শেষ হয়ে যাবে। ভেবেছিলাম এবার ভোগান্তি কম হবে কিন্তু এবার আরও বেশি সমস্যা। গাড়ি পেলে তাও গাড়িতে বসে থাকা যায়। গতকাল বিকেলে বের হয়ে আবার বাসায় ফিরে গিয়েছিলাম, সকালে বের হয়েছি কিন্তু এখন বৃষ্টি আর গাড়ির সংকট।

নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, বৃষ্টির কারণে ভোগান্তি বেড়েছে ঘরমুখো মানুষের। আশা করছি আজ দুপুরের মধ্যে মহাসড়কের অবস্থা স্বাভাবিক হয়ে যাবে।