মাদারীপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০, হাতবোমা বিস্ফোরণে আতঙ্ক

মাদারীপুর সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অন্তত ২০টি হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সদর উপজেলার রাস্তি ইউনিয়নের পশ্চিম রাস্তি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন রাস্তি ইউনিয়নের পশ্চিম রাস্তি এলাকার আজিজ হাওলাদারের ছেলে রোকন হাওলাদার (৩৫), সিদ্দিক হাওলাদারের ছেলে সেলিম হাওলাদার (২৬), ফারুক বেপারী (৫৫), ইমরান মাতুব্বর (৩২), আলবিদ হাওলাদার, কালু বেপারী (৬৫), রিয়ন বেপারী (১৮), তুষার হাওলাদার (১৯), হারুন বেপারি ও আকমল হোসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম রাস্তি গ্রামের সেলিম হাওলাদার ও সোহরাব বেপারীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে শুক্রবার বিকেলে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ধারাবাহিকভাবে হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০ জনকে স্থানীয়ভাবে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ভুক্তভোগী সেলিম হাওলাদার জানান, সোহরাব ব্যাপারী তার লোকবল নিয়ে তাদের ওপর হামলা করেছে। তিনি এর বিচার চান।
এ বিষয়ে সোহরাব ব্যাপারী বলেন, তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। কিন্তু তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সাধারণ মানুষের অত্যাচার করে। আমার এক লোক বাধা দেওয়ায় তার লোকজনেরা আমার লোকের ওপর অত্যাচার করেছে। আমরা এর বিচার চাই। আমরা তাদের লোকজনকে মারি নাই।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।