logo

ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসে প্রায় ২০০ বিঘা জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত

ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসে প্রায় ২০০ বিঘা জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা এলাকায় ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসে প্রায় ২০০ বিঘা জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

স্থানীয়রা জানান, গত বছরও আরবিসি ব্রিকস নামের ওই ভাটার গ্যাসে ধোপাডাঙ্গা এলাকার জমির ধানসহ গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে ভাটার পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া কথা থাকলেও দেওয়া হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, আবাদি জমিতে অবস্থিত আরবিসি ব্রিকস। প্রায় চার দিকেই মানুষের বসতবাড়ি। উত্তর পাশে জমির ধানগাছের পাতা লালচে হয়ে মরে যাচ্ছে। ধানের নতুন ছড়া সাদা হয়ে যাচ্ছে।

চাষিদের অভিযোগ, ক্ষেতের ধান ১৫ দিনের মধ্যেই পাকা শুরু হবে। গত সোমবার ভাটার গ্যাস ছেড়ে দিয়ে প্রায় ২০০ বিঘা জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। মঙ্গলবার সকালে এলাকাবাসী দেখেন ক্ষেতের ধানগাছের পাতা লালচে আকার ধারণ করেছে। গাছ মরে যাচ্ছে। 

উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের বজড়া হলদিয়া গ্রামের কৃষক কফিল উদ্দিন জানান, এই ইটভাটার কারণে আমার দুই বিঘা জমির ধান নষ্ট হয়েছে। আমি ক্ষতিপূরণ চাই।

এ বিষয়ে ভাটার মালিক আলতাফ হোসনের বক্তব্য নিতে গেলে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি সরে যান। পরে তার ব্যবহৃত ফোনে একাধিবার কল দিলেও বন্ধ পাওয়া যায়।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাশিদুল ইসলাম এশিয়া পোস্টকে বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ক্ষতি হওয়া ধানের জমিসহ কৃষকদের তালিকা করা হয়েছে। বাতাস হলে ইটভাটার ধোঁয়ায় ফসলের এ ধরনের ক্ষতি হয়।

গাইবান্ধা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। ইটভাটার মালিকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।