চট্টগ্রামে স্বর্ণালংকার আত্মসাতের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৬

চট্টগ্রাম নগরীর প্রবর্তক মোড়সংলগ্ন মিমি সুপার মার্কেটের ‘নিউ কনক বাহার জুয়েলার্স’ থেকে আত্মসাৎ করা ৯৯ ভরি ৪ আনা ৫ রতি ওজনের ৫৫ পিস সোনার চুড়ি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মূল অভিযুক্তসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ও বুধবার নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার ও আত্মসাৎকৃত সোনা উদ্ধার করে পাঁচলাইশ থানা-পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—রোমেন দে (৩৬), শ্যামল সিংহ (৪৭), জয় দে ওরফে বাবু (২২), রনি দে (২৮), স্বপ্না দে (৫৫) ও ইমন দে (১৯)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিউ কনক বাহার জুয়েলার্সে দীর্ঘ ১২-১৩ বছর ধরে সেলসম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন রোমেন দে। গত ১৪ আগস্ট দুপুরে দোকানের মজুত হিসাব মেলাতে গিয়ে অসঙ্গতি পান প্রতিষ্ঠানের মালিক বিপ্লব বসাক (৫৩)। বিষয়টি টের পেয়ে রোমেন দে ওয়াশরুমে যাওয়ার কথা বলে কৌশলে পালিয়ে যান। পরে হিসাব মিলিয়ে দেখা যায়, রোমেন দোকানে থাকা আসল সোনার চুড়ি আত্মসাৎ করে সেখানে ইমিটেশনের চুড়ি রেখে গেছেন। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গত ১৮ আগস্ট সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট এলাকা থেকে রোমেন দে-কে গ্রেপ্তার করে ৩ দিনের রিমান্ডে নেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকলিয়া ও বোয়ালখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে শ্যামল সিংহকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকলিয়া, চকবাজার ও কোতোয়ালি থানা এলাকার বিভিন্ন সোনার দোকান ও বন্ধকী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে আত্মসাৎ করা সব সোনা উদ্ধার করা হয়।
পাঁচলাইশ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শওকত ইমাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।



