logo

তরুণীকে পতিতালয়ে বিক্রির চেষ্টা, তিনজন আটক

তরুণীকে পতিতালয়ে বিক্রির চেষ্টা, তিনজন আটক
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা। ছবি: সংগৃহীত

‎বিয়ে ও ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ফরিদপুর শহরের রথখোলা পতিতালয়ে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২২ মে) এ ঘটনায় মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তিনজনকে আটক করে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা।

‎পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণী (১৯) বগুড়ার শারিয়াকান্দি উপজেলার বাসিন্দা। সে ঢাকার ধামরাই এলাকায় মায়ের সঙ্গে বসবাস করে একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। সেখানে মনির শেখ, আলম ফকির ও মুন্নি নামে তিনজনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। অভিযুক্তরা ধামরাই এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন।

জনি প্রথমে বিয়ে ও ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে গত ১৪ মে তাকে ফরিদপুর শহরের শিবরামপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। কয়েক দিন সেখানে রাখার পর বৃহস্পতিবার সকালে তাকে রথখোলা পতিতালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

পতিতালয়ে বিক্রি করার চেষ্টা চলছে বুঝতে পেরে ভুক্তভোগী সেখানে যেতে অস্বীকার করলে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক ভেতরে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ওই তরুণী চিৎকার করে পালিয়ে গিয়ে পতিতালয়ের সামনের একটি দোকানে আশ্রয় নেন। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তিন অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

‎পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং আটক তিনজনকে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তানিয়া ও দুখু নামে আরও দুজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

শুক্রবার (২১ মে) এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

‎বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।