logo

সুরঞ্জিত সেন হত্যাচেষ্টা মামলায় খালাস পেলেন আরিফ-গউছ ও বাবর

সুরঞ্জিত সেন হত্যাচেষ্টা মামলায় খালাস পেলেন আরিফ-গউছ ও বাবর
ছবি: এশিয়া পোস্ট

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় খালাস পেয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় হুইপ জি কে গউছ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর ১টার দিকে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বোরহান উদ্দিন বলেন, মামলায় মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হয়েছিল। এর মধ্যে মুফতি হান্নানসহ দুইজন মারা গেছেন। বাকি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র আসামি হাফিজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফ ওরফে নিমুর বিরুদ্ধে তিনটি ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত ৩০২ ধারায় তার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিলে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। পরে গত ৭ এপ্রিল ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। ওই সময় তারা আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। হামলায় স্থানীয় যুবলীগের এক কর্মী নিহত হন এবং অন্তত ২৯ জন আহত হন। সুরঞ্জিত সেনগুপ্তও ওই হামলায় আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান। ঘটনার পর দিরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর মামলায় লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গউছসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার বিচারকালে ৬৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। প্রায় দুই দশক ধরে চলা বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।