বাংলাদেশে সব ভালোর সঙ্গে জিয়া পরিবার জড়িত: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশে যত ভালো কিছু আছে, তার সঙ্গে একটি নাম, একটি পরিবার জড়িত। সেটি হলো শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং জিয়া পরিবার।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ক্যাম্পাসে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সেখানে ‘ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অ্যাফিলিয়েটেড বডিসমূহের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার’ শীর্ষক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, গার্মেন্টস ও রেমিট্যান্স, মুক্তিযোদ্ধাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে যত উন্নয়ন হয়েছে, সবকিছুই করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। শিক্ষাকে শহীদ জিয়াই এগিয়ে নিয়েছেন। সব উন্নয়নের পেছনে শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়া জড়িত। শহীদ জিয়াকে গার্মেন্টসের জনক বললেও ভুল হবে না।
দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন নিয়ে তিনি বলেন, ফাউন্ডেশনকে নিয়ে কেউ রাজনীতি করবেন না। এটাকে সবাই জনগণের সম্পদ মনে করবেন। প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া কখনও তার দলের লোককে কোনো সমিতিতে নেওয়ার জন্য বলেননি।
ডা. জাহিদ বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে মিডিয়াকে বাস্তব সত্য সমাজ ও জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে।
দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. হাসনাইন আখতার হকের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ও সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক।
আরও বক্তব্য দেন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) সদস্য অধ্যাপক ডা. এ টি এম ফরিদ উদ্দিন, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভী, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শেখ সাদেক আলী, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, সিভিল সার্জন ডা. আসিফ ফেরদৌস, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি প্রমুখ।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভী বলেন, জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য ৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কীভাবে পরিচালনা করতে হবে সে ব্যাপারে ভাবতে হবে। ওপেন হার্ট সার্জারি চালু করার পরামর্শ দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের চিকিৎসকসহ বিভিন্ন সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
