logo

ঢাকায় অপহৃত স্কুলছাত্রী কক্সবাজার থেকে উদ্ধার

এশিয়া পোস্ট নিউজ
এশিয়া পোস্ট নিউজ, কক্সবাজার
ঢাকায় অপহৃত স্কুলছাত্রী কক্সবাজার থেকে উদ্ধার
অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারের সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছবি: এশিয়া পোস্ট

ঢাকার ধানমন্ডি থেকে অপহরণের সাত দিন পর এক স্কুলছাত্রীকে কক্সবাজার থেকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের লিংকরোড এলাকা তাকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় অপহরণের অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন ঢাকার উত্তরা থানার আটিপাড়া এলাকার তাওহীদ মোহাম্মদ মোস্তাকিম ও কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. আবু সাঈদ।

ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী (১৫) ঢাকার ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

ঢাকার ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা মামলার নথির বরাতে আ ম ফারুক বলেন, গত ৬ মে ঢাকার ধানমন্ডির নিজ বাসার সামনে থেকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক একটি সাদা রঙের হাইয়েস গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় একদল দুর্বৃত্ত। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ধানমন্ডি মডেল থানায় একটি অপহরণ মামলা করে। ঘটনাটি র‌্যাবের নজরে আসার পর থেকেই অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়।

মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীসহ ঘটনায় জড়িত কয়েকজন আসামি কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের লিংকরোড এলাকার বাংলাদেশ বেতার কক্সবাজার আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে একটি বাসায় অবস্থানের খবর পায় র‌্যাব। পরে র‌্যাবের একটি দল সন্দেহজনক বাসাটি ঘিরে ফেললে দুই-তিনজন কৌশলে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ধাওয়া দিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে বাসাটি তল্লাশি করে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার আসামিদের প্রাথমিক স্বীকারোক্তির বরাতে র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তার আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। আসামি তাওহীদ মোহাম্মদ মোস্তাকিমের প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সহযোগীদের সহায়তায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে কক্সবাজারে নেওয়া হয়।

উদ্ধার ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর এবং গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।