logo

রাঙামাটি শহরে চারটির মধ্যে তিনটি পাম্প বন্ধ, সেনা মোতায়েন

রাঙামাটি শহরে চারটির মধ্যে তিনটি পাম্প বন্ধ, সেনা মোতায়েন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার প্রভাবে দেশে জ্বালানি নিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। ডিপো থেকে পাম্পগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় সংকট দেখা দিয়েছে। সংকট আরও তীব্র হতে পারে—এমন আশংকায় গ্রাহকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পাম্পে ভিড় করছেন। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে রাঙামাটির ফিলিং স্টেশনগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী।

বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকে জেলা শহরে অবস্থিত চারটি পাম্প ঘুরে দেখা যায়, মাত্র একটিতে জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে। অন্য তিনটি বন্ধ অবস্থায় দেখা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেল থেকে জেলা শহরে অবস্থিত মহসিন ফিলিং স্টেশন, হিল ভিউ ফিলিং স্টেশন, এসএসএন পেট্রোলিয়াম এজেন্সি ফিলিং স্টেশন এবং ত্যানবি এন্টারপ্রাইজ ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ডিপো থেকে তেল আসর পর আজ বুধবার সকাল থেকে ত্যানবি এন্টারপ্রাইজ ফিলিং স্টেশনে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়।

জেলা প্রশাসন জানায়, পাম্পে বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়ন করা হয়েছে। তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেনা সদস্যরা কাজ করছেন।

ক্রেতারা জানান, বেশির ভাগ পাম্প বন্ধ থাকায় ভোগান্তি বেড়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মিলছে না স্বস্তি।

তেল কিনে বের হওয়ার সময় কথা হয় জসিম উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি জানান, ঈদের ছুটিতে বাইক নিয়ে রাঙামাটি বেড়াতে এসেছিলেন। তেল না পেয়ে আটকে গিয়েছিলেন। তেলের জন্য ভোরে পাম্পে এসেছেন।

স্থানীয় চাকরিজীবী ইনা চাকমা বলেন, অফিস থেকে আজ ছুটি নিয়ে তেল নিলাম। এভাবে আর কত দিন পার করতে হবে জানি না।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক (ডিসি) নাজমা আশরাফী জানান, ঈদের ছুটিতে প্রচুর পর্যটক রাঙামাটিতে এসেছেন। পর্যটক আসার কারণে জেলায় জ্বালানির চাহিদা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।