Advertisement

ফ্যামিলি কার্ডের দায়িত্ব না পেয়ে দুই ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

এশিয়া পোস্ট নিউজ, জামালপুর
ফ্যামিলি কার্ডের দায়িত্ব না পেয়ে দুই ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ
মেহেদী হাসান রিংকু ও মো. ইবনে হাসান। ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়ন ছাত্রদলের দুই নেতা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পৃথক পদত্যাগপত্র প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

Advertisement

তবে জেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বের দাবি, সংশ্লিষ্ট দুই নেতা দলীয় নিয়ম অনুযায়ী জেলা ছাত্রদলের কাছে কোনো পদত্যাগপত্র জমা দেননি। সরকারি ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী পদে চাকরি না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই তারা ফেসবুকে এমন পোস্ট দিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা জেলা নেতাদের।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে পোগলদিঘা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি মেহেদী হাসান রিংকু ও দপ্তর সম্পাদক মো. ইবনে হাসান নিজ নিজ ফেসবুক আইডিতে পদত্যাগপত্র প্রকাশ করেন।

পদত্যাগপত্রে ইবনে হাসান উল্লেখ করেন, তিনি ২০২২ সাল থেকে পোগলদিঘা ইউনিয়ন ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

অন্যদিকে সহসভাপতি মেহেদী হাসান রিংকু তার পদত্যাগপত্রে কর্মীদের অবমূল্যায়ন ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ তুলে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

পদত্যাগের বিষয়ে মেহেদী হাসান রিংকু বলেন, ২০০৯ সাল থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছি। দলের দুঃসময়ে রাজপথে লড়াই-সংগ্রাম করেছি। কিন্তু বর্তমানে ত্যাগী কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না হওয়া এবং রাজনৈতিক পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ায় আমি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি।

এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মাসুদ রানা চপল বলেন, আমরা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পদত্যাগপত্র পাইনি। ঘটনাটির বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।

জামালপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি এখনো ওই দুই ছাত্রনেতার সঙ্গে কথা বলিনি। তবে যতটুকু জানতে পেরেছি, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী পদে তারা আবেদন করেছিলেন। চাকরি না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই হয়তো তারা ফেসবুকে পদত্যাগপত্র পোস্ট করেছেন।

দলীয় নিয়ম অনুযায়ী পদত্যাগ করতে হলে তার এক কপি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দপ্তরে জমা দেওয়ার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাদের কারও কাছে কোনো চিঠি আসেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নজরে আসায় তাদের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

বিষয় :