যশোরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ১৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

যশোর সদর উপজেলার রামনগর-মুড়লী এলাকায় মশাল মিছিলের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে রোববার রাতে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি পৃথক দুটি নাশকতা মামলায় আরও চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (৩ আগস্ট) গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন—ফারদিন দুর্জয়, ওহিদুল ইসলাম শেখ, রাকিবুল রহমান, আল আমিন ও সম্রাট হোসেন। অন্যদিকে, পৃথক দুটি নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন সোহাগ খলিফা, সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য আকরাম হোসেন এবং সাবেক ইউপি সদস্য মইনুর রহমান।
কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফজলুল হক বাদী হয়ে মশাল মিছিলের মামলাটি করেন। মামলায় যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফন্টু চাকলাদার, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল, একাধিক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ ১৩৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়, গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে রামনগর-মুড়লী এলাকায় একদল লোক রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির উদ্দেশ্যে মশাল মিছিল ও বিভিন্ন স্লোগান দেয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিছিলকারীরা সটে পড়ে। অনুসন্ধান শেষে মিছিলের আয়োজনের পেছনে আনোয়ার হোসেন বিপুলের সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনে পুলিশ মামলা দায়ের করে।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, মশাল মিছিল ও নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার মোট নয়জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
