জামায়াত নেতাদের ধরে ধরে ফোন চেক করা হচ্ছে, মারা হচ্ছে: এনসিপি নেত্রী

জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের ধরে ধরে ফোন চেক করা হচ্ছে এবং তাদের মারা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ তোলেন তিনি।
পোস্টে ডা. মাহমুদা মিতু লিখেছেন, (ঝালকাঠির) কাঁঠালিয়ায় ধরে ধরে জামায়াত নেতাদের অবরুদ্ধ করে ফোন চেক হচ্ছে, মারা হচ্ছে ,পকেট চেক করা হচ্ছে। খুচরা টাকা নিয়ে যাচ্ছে ছাত্রদল। এটা সকালের মিডিয়া ট্রায়ালের ফল।
তিনি লেখেন, জামায়াত নেতাদের ওপরে রাগ লাগে মাঝে মধ্যে। মনে হয় এদের জন্ম হইছে মাইর খাওয়ার জন্য। এত নরম হইলে আসলে রাজনীতি করে মাইর খেয়ে লাভ কী?
এনসিপির এই নেত্রী আরও লেখেন, আজকে যাকে বের করে আনছি তার মেয়ে যদি আমাকে ফোন না দিত তাহলে হয় তো আজ রাতে অবরুদ্ধই থাকত। তার মেয়েকেও সে ফোন দেওয়ার সুযোগ পায়নি। মেয়েটাকে পাশের বাড়ির আরেক মেয়ে ফোন করছে যে, তাড়াতাড়ি আস, তোমার বাবাকে মারতেছে।
‘উনার মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে আমাকে ফোন দেয়, আব্বুকে মেরে ফেললো, আপু আপনি কই।
তিনি লেখেন, আমি ফিল্ডে এসে ওদের বলতে শুনি, জামায়াতের মায়েরে ***, ওগো যেহানে পাবি আইজ ধইরা আটকাইয়া নলা ভাঙবি। সকালেও এক ছেলেকে মারছে, চরথাপ্পড় দিছে।
‘ওরা আমাকে খেয়াল করেনি। তখনও ওই লোক অবরুদ্ধ ছিল। আমি বাইরে চিল্লাচিল্লি করায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হইছে পিছনের দরজা থেকে। কিন্তু মারধর করছে, টাকা নিয়েছে। টাকা নিয়ে মারছে আর বলছে, বল তুই ভোটারদের টাকা দেও। আমি ভিডিও করব।
ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, যাকে মারা হইছে উনার বয়স ৫৮, উনি জামায়াতের ৪নং কাঠালিয়ার অর্থ সম্পাদক। নাম আইউব আলি।
জামায়াত নেতারা এসব অত্যাচার মনে না রাখলে তাদের সাথে নেক্সট বোঝাপড়া আমার হবে, যোগ করেন এনসিপির এই নেত্রী।