logo

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ করলেন মাদারীপুরের ৪০ গ্রামের মানুষ 

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ করলেন মাদারীপুরের ৪০ গ্রামের মানুষ 

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন মাদারীপুর জেলার ৪০ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। 

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের তাল্লুক গ্রামের চর কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে।

জানা গেছে, শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর দরবার শরিফের প্রতিষ্ঠাতা হজরত জানশরিফ শাহ সুরেশ্বরীর (রহ.)-এর অনুসারীরা অনুসারীরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ও পঞ্জিকার তিথি দেখে একদিন আগে রোজা ও দুই ঈদ পালন করেন। এই ধারাবাহিকতায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা, জাজিরা, মহিষেরচর, জাফরাবাদ, চরকালিকাপুর, তাল্লুক, বাহেরচরকাতলা, চরগোবিন্দপুর, আউলিয়াপুর, ছিলারচর, কুনিয়া, মস্তফাপুর, কালকিনির সাহেবরামপুর, আন্ডারচর, আলীনগর, বাঁশগাড়ী, খাসেরহাট, আউলিয়াপুর, রামারপোল, ছবিপুর, ছিলিমপুর, ক্রোকিরচর, সিডিখান, কয়ারিয়া, রমজানপুর, বাটামারা, রাজারচর, শিবচরের পাচ্চর, স্বর্ণকারপট্রিসহ মাদারীপুর জেলার চারটি উপজেলার অন্তত ৪০ গ্রামের অর্ধ লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমান বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন করছে। 

মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের চরকারিকাপুর ১৬নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও তাল্লুক গ্রামের সুরেশ্বর পীরের অনুসারী মোত্তাকিন আহমেদ সোহেল ফকির বলেন, ‘ইসলাম ধর্মের সবকিছুই মক্কা শরিফ হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। তাছাড়া মক্কা শরিফ থেকে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য মাত্র ৩ ঘণ্টা। তাই সৌদিআরবসহ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে আমরা ঈদ উৎসব পালন করি। সে হিসেবে আজ আমাদের ঈদ।’

 

সুরেশ্বর পীরের অনুসারী সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সাত্তার মোল্লা বলেন, ‘সুরেশ্বর দরবার শরিফের প্রতিষ্ঠাতা শাহ সুরেশ্বরী (রহ.)-এর অনুসারীরা ১৫০ বছর আগে থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা ঈদুল ফিতর পালন করছি।’

মাদারীপুরের পীর খাজা শাহ সুফি সৈয়দ নূরে আক্তার হোসাইন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের মানুষ ঈদের চাঁদ দেখেন । তাই মাদারীপুরের ৪০টি গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমান উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় অনুযায়ী আজ ঈদুল ফিতর পালন করেন।’