কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লালমনিরহাটে লন্ডভন্ড ২০ গ্রাম

লালমনিরহাটে কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জেলার ৫ উপজেলার অন্তত ২০ গ্রামের ওপর দিয়ে আঘাত হানা এই ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হাতীবান্ধা ও কালীগঞ্জ উপজেলা।
রোববার (১৭ মে) মধ্যরাতের এই আকস্মিক ঝড়ে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কের তুষভান্ডার ইউনিয়নে বিশাল গাছ ভেঙে পড়লে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাছ সরিয়ে নিলে প্রায় এক ঘণ্টা পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
জানা গেছে, ঝড়ের তীব্রতায় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের খুঁটি উপড়ে পড়েছে, যার ফলে বিশাল একটি এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। চরাঞ্চলে উঠতি ভুট্টাক্ষেত এবং পাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কোনো কোনো এলাকায় কাঁচা ঘরবাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অভিযোগ, এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেউ তাদের খোঁজ নেয়নি। ঘরবাড়ি হারিয়ে চরম বিপাকে পড়া অনেক পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান বলেন, ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। দ্রুতই ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সরকারি ত্রাণ ও সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
