আটকের পর আওয়ামী লীগ নেতাকে ছেড়ে দিল পুলিশ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে আটকের পর আওয়ামী লীগের এক নেতা ও তার ভাইকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। তবে পুলিশের দাবি, অন্য এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে ভুলবশত তাদের আটক করা হয়েছিল।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দিবাগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের ভিটিপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বনগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ জামান সরকার ও তার ছোট ভাই সোহাগ সরকারকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে ঘটনার কারণ জানতে চান এবং তাদের মুক্তির দাবি তোলেন। একপর্যায়ে স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়ে পুলিশ দুই ভাইকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, সুনির্দিষ্ট কী কারণে তাদের আটক করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে কেনই-বা ছেড়ে দেওয়া হলো।
ভিটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ নাঈম বলেন, এখানে যার যার পছন্দমতো রাজনৈতিক দল সমর্থন করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু কোনো মামলা বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কাউকে হয়রানি করা হলে সমাজের মানুষ তা কোনোভাবেই মেনে নেবে না।
একই গ্রামের বাসিন্দা আরমান পাঠান বলেন, রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে, তবে আমাদের সামাজিক সম্পর্কে কোনো রেষারেষি নেই। কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া কাউকে এভাবে হয়রানি করার সুযোগ নেই।
কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, অন্য এক আসামিকে আটক করতে গিয়ে ভুলবশত পুলিশ ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। পরবর্তীতে স্ব-স্ব পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।


