ব্রি প্রগতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলক কোচিং, ক্ষুব্ধ অভিভাবক

গাজীপুরে ব্রি প্রগতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির প্রায় ১৭০ জন শিক্ষার্থীকে বাধ্যতামূলকভাবে কোচিং করানোর অভিযোগ উঠেছে। সরকারের কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এমন উদ্যোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।
জানা গেছে, বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীকে নিয়মিত ক্লাসের বাইরে অতিরিক্ত এক ঘণ্টা কোচিংয়ে অংশ নিতে বলা হচ্ছে। বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে তাদের এই কোচিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অনেক অভিভাবকের আর্থিকভাবে অস্বচ্ছলতা থাকা সত্বেও কোচিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, সরকার যেখানে কোচিং বাণিজ্য নিরুৎসাহিত করছে, সেখানে বিদ্যালয় থেকেই যদি কোচিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রতি শিক্ষার্থী থেকে এক হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যালয়ের নিয়মিত ক্লাসেই যদি ভালোভাবে পাঠদান করা হয়, তাহলে আলাদা কোচিংয়ের প্রয়োজন হওয়ার কথা নয়। এটি বন্ধ হওয়া উচিত।
ব্রি প্রগতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফাতেমা বেগম সুইটি বলেন, এবিষয়ে নিউজ করার দরকার নেই। আমাদের স্কুলে আগে থেকেই ক্লাসের পর কোচিং নেওয়া হয়। সব শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না ঠিক, তবে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি সময় যেন তারা ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারে এজন্য এটির ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপনারা এটি (কোচিং) না চাইলে বন্ধ করে দেব।
এবিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এম. রকিবুল হাসান বলেন, এভাবে কোচিং করাতে পারে না, আমরা এবিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিব।






