logo

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: শাহ আমানতে ফ্লাইট বাতিল বেড়ে ৯৫

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: শাহ আমানতে ফ্লাইট বাতিল বেড়ে ৯৫

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার কারণে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলে অচলাবস্থা কাটছে না। দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহা এয়ারফিল্ডের কার্যক্রম সীমিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এনিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত মাত্র ১১ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মোট ৯৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিমানবন্দর সূত্র জানা গেছে, মঙ্গলবার বাতিল হওয়া চারটি ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস: দুবাই থেকে চট্টগ্রামে আসার একটি আগমনী ফ্লাইট। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস: মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমনী এবং চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল এমন দুটি বহির্গমন ফ্লাইট।

এদিকে ফ্লাইট বাতিলের হিড়িকের মধ্যেও বিকল্প ব্যবস্থাপনায় কিছু এয়ারলাইনস তাদের কার্যক্রম চালু রেখেছে। মঙ্গলবার বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্যগামী ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা মোট ১৩টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সচল ছিল। এর মধ্যে সাতটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে এবং ছয়টি ফ্লাইট গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।

টানা ফ্লাইট বাতিলের ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা। অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে আসার উপক্রম হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। 

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের এয়ারফিল্ডগুলো পূর্ণমাত্রায় সচল না হওয়া পর্যন্ত শিডিউল বিপর্যয় পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে এবং এয়ারলাইনসগুলো যাত্রীদের বিকল্প ফ্লাইটে গন্তব্যে পাঠানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এখন পর্যন্ত মোট ৩৯১টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ বুধবার (১১ মার্চ) পর্যন্ত এসব ফ্লাইট মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার কথা ছিল।