অর্থপাচার: তলবের মুখে মেহেরপুরের ৯ জন

চোরাচালান, অনলাইন ক্যাসিনোসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দেশ থেকে অর্থপাচার হয়ে থাকে। এই অপরাধে জড়িয়ে পড়াদের মধ্যে রাজনীতিক থেকে শুরু করে সরকারি চাকরিজীবীদের নাম শোনা যায়। এবার মেহেরপুরের এমন ৯ জনের নাম সামনে এসেছে।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) সূত্রে জানা যায়, ওই নয়জনকে সোমবার (৩০ মার্চ) ও আগামীকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকায় সিআইডি কার্যালয়ে ডাকা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ইতোমধ্যে এ নিয়ে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগ থেকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা ২০১৯-এর ৫১(৯) ধারায় সংশ্লিষ্টদের আর্থিক লেনদেন, সম্পদের উৎস ও সম্ভাব্য গোপন তথ্য যাচাই করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে–অর্থপাচারসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গত এক বছরে জেলার অন্তত ৩৪ জনকে জনকে তলব করা হয়। অর্থপাচার রোধের এই তৎপরতা জেলাজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নতুন করে তলব করা ৯ জনের মধ্যে আছেন রাজনৈতিক ব্যক্তি, চোরাকারবার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, অনলাইন ক্যাসিনো এজেন্ট ও তাদের সহযোগীরা এবং একজন সরকারি কর্মচারী।
তারা হলেন মেহেরপুরের এনসিপি নেতা তামিম ইসলাম, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সমাজসেবা কার্যালয়ের কম্পিউটার প্রশিক্ষক এস এম রাসেল, যুবলীগ নেতা আঙ্গুর আলী এবং নাদিম খান, মারুফ সুলতান বর্ষণ, মাসুম বিল্লাহ, মনজুর রহমান (মজনু), মইনুদ্দিন ও মাদার আলি।
তাদের লেনদেন সংশ্লিষ্ট তথ্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) সরবরাহ করেছে দেশের আর্থিক কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট-বিএফআইইউ)। এ ছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সাবরেজিস্ট্রি অফিস, আয়কর বিভাগ ও সঞ্চয় ব্যুরো থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার সুমন কুমার সাহা এশিয়া পোস্টকে বলেন, বিএফআইইউ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সব দপ্তর থেকে তথ্য নিয়ে যাচাই করা হচ্ছে।