logo

৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন কৃষক মিন্টু

৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন কৃষক মিন্টু

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে অপহরণের ৪৮ ঘণ্টা পর আট লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন রিদুয়ানুল করিম মিন্টু নামে এক কৃষক।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে ছেড়ে দেয় অপহরণকারীরা। মুক্তি পেয়েই রাতে রামুর গর্জনিয়ার জাউচপাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে ফেরেন তিনি।

গত রোববার (২৯ মার্চ) রাতে নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়নের লতাবনিয়া উঠুনি নামক এলাকা থেকে কৃষক মিন্টুকে অপহরণ করে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা। মিন্টু নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের বাইশারীর লংগদুর মুখের লম্বাচর এলাকায় তামাক ও সবজি চাষ করতেন। ঘটনার দিন কাজ শেষ করে বাড়িতে ফেরার পথে অপহরণকারীদের কবলে পড়েন তিনি।

নিজ বাড়িতে ফিরে বুধবার (১ মার্চ) সকালে মিন্টু বলেন, ‘৭ জন বাঙালি ও ৪ জন উপজাতি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আমাকে অপহরণ করে। অপহরণের পর থেকে পাহাড়ি এলাকায় শিকল দিয়ে বেঁধে রাখে। ব্যাপক মারধর ও নির্যাতন করেছে।’

তিনি বলেন, অপহরণের পর ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ চায় সন্ত্রাসীরা। পরে দরকষাকষি শেষে আট লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়ার পর মুক্তি মিলেছে। মোবাইল ফোনে খবর পাঠানোর পর পরিবারের পক্ষে বোনের স্বামী ছুরুত আলম ঘরের এবং আত্মীয়স্বজনের স্বর্ণ বিক্রি করে সেই আট লাখ টাকা অপহরণকারীদের দিয়েছেন।

মিন্টু জানান, অপহরণকারীদের মধ্যে কয়েকজনকে তিনি চিনতে পেরেছেন। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, কৃষককে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের বিষয়টি জেনেছি। অপহৃত ব্যক্তি আইনের আশ্রয় নিতে চাইলে প্রশাসন সহায়তা করবে।

সপ্তাহ দুয়েক আগে একই গ্রামের কৃষক কবির আহমদের ছেলে রিয়াজুল হক ও তার কাজের ছেলে রবিউলকে অপহরণ করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। এর আগে বৃদ্ধ আলী আকবর নামে এক ব্যক্তি অপহরণের শিকার হয়েছিলেন।