logo

খালের পাশে মঞ্চ, প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় জনগণ

খালের পাশে মঞ্চ, প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় জনগণ
খালের পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভামঞ্চ। ছবি: এশিয়া পোস্ট

ময়মনসিংহের ত্রিশালে একটি খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এজন্য খালের পাশে বানানো হয়েছে তার সভামঞ্চ। প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য শনিবার (২৩ মে) সকাল থেকে খালের পাশে অবস্থান নিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিন দেখা যায়, উৎসুক জনতা খালের পাশে ভিড় জমিয়েছেন। তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একনজর দেখতে অপেক্ষা করছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা খালের পাশসহ আশপাশের এলাকায় মোতায়েন রয়েছে।

শনিবার (২৩ মে) থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী জাতীয় নজরুল জন্মজয়ন্তী উৎসব। জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে উৎসবের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে ত্রিশালের বৈলর ইউনিয়নে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ধরার খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করবেন তিনি।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর দুপুরে ত্রিশালের বৈলর ইউনিয়নে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ধরার খাল পুনঃখনন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে খাল খননের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। দুপুর ২টায় ত্রিশালের নজরুল ডাক বাংলোতে বিরতি শেষে বিকেল ৩টায় জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ত্রিশালের নজরুল মঞ্চে আয়োজিত জাতীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং তিন দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল ৫টায় ত্রিশালের নজরুল অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগদান করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০০৬ সালের পর এবারই প্রথম জাতীয়ভাবে ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপিত হচ্ছে। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবকে কেন্দ্র করে নজরুল একাডেমি মাঠে বসেছে বিশাল গ্রামীণ মেলা ও নজরুল বইমেলা। পাঁচ শতাধিক স্টল বসানো হয়েছে সেখান।

জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বৈলর, নজরুল একাডেমি মাঠ ও নজরুল অডিটোরিয়ামসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, সফর নির্বিঘ্ন ও সফল করতে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সকল দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।