নতুন কমিটিতে দায়িত্ব, এরপরই পদত্যাগ এনসিপি নেতার

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ভোলা জেলা আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন রশিদ আহম্মেদ। ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব পাওয়ার দিনই তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব বরাবর পাঠানো এক পদত্যাগপত্রে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন রশিদ আহম্মেদ।
পদত্যাগপত্রে রশিদ আহম্মেদ বলেন, ভোলা জেলা আহ্বায়ক কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞ। দলের প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা থেকে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন তিনি।

তবে ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক কিছু কারণে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না বলে পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন রশিদ আহম্মেদ। এ কারণে স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
পদত্যাগপত্রে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দলের প্রতি তার শ্রদ্ধা, শুভকামনা ও আন্তরিকতা সব সময় অটুট থাকবে। দায়িত্ব পালনকালে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতা ও ভালোবাসার জন্যও তিনি কৃতজ্ঞ।
এ বিষয়ে এনসিপির নবগঠিত ভোলা জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব শরীফ হাওলাদার সাগর বলেন, দল বা কমিটি থেকে পদত্যাগ করা প্রত্যেকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। রশিদ আহম্মেদের পদত্যাগও তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তবে তিনি দলের সঙ্গে আছেন। ব্যক্তিগত কারণে রশিদ আহম্মেদ হয়তো পদে থাকতে চাইছেন না। এনসিপির সদস্যরা তার ব্যক্তিগত মতামতকে সম্মান করেন।
তিনি আরও বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এনসিপির ভোলা জেলা কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হবে। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের সময় সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রশিদ আহম্মেদকে রাখা হবে কি না, সে বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ কারণে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়েও কিছুটা সময় নেওয়া হয়েছে।
এদিন এনসিপির ভোলা জেলা আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। ওই কমিটিতে রশিদ আহম্মেদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছিল।
