logo
Advertisement

নাটোরে পুলিশের ওপর হামলায় ৯ জন গ্রেপ্তার

এশিয়া পোস্ট নিউজ,নাটোর
নাটোরে পুলিশের ওপর হামলায় ৯ জন গ্রেপ্তার
নাটোরে পুলিশের ওপর হামলায় গ্রেপ্তার নয়জন। ছবি: এশিয়া পোস্ট

নাটোরের গুরুদাসপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার মামলার এজাহারনামীয় ৯ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Advertisement

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাতে উপজেলার চন্দ্রপুর ওয়াবদা বাজার ও শ্যামপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

গুরুদাসপুর থানা পুলিশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৫ আগস্ট বিকেলে উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে নন্দকুজা নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে ফারহান ইসলাম ও লাম ইসলাম নামে দুই শিশুর করুণ মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় খবর পেয়ে গুরুদাসপুর থানার এসআই আবুল বাশার ও কনস্টেবল আব্দুর রাকিব ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পুলিশের অনুমতি নিয়ে মরদেহ দুটি দাফন করতে বলেন। এ সময় দাফন সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীর সাথে পুলিশ সদস্যদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে স্থানীয় জনসাধারণ ক্ষিপ্ত হয়ে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। তারা লাঠি দিয়ে আঘাত ও কিল-ঘুষি মেরে পুলিশ সদস্যদের লাঞ্ছিত করে। পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী দুই পুলিশ সদস্যকে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ দুই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে ২০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করে গুরুদাসপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার ভিত্তিতেই গত রাতে অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং শনিবার বিকেলে তাদের বিচারিক আদালতে পাঠানো হয়।

মামলায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—উপজেলার চন্দ্রপুর ওয়াবদা বাজার এলাকার মৃত রেজাউল করিমের ছেলে সবুজ প্রাং, মৃত নাছের আলী প্রাংয়ের দুই ছেলে জাহের আলী প্রাং ও হাসান আলী প্রাং; এবং শ্যামপুর বড়ঘাট বাজার এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে রবিউল করিম, শামীম রেজার ছেলে আশিক আহমেদ, জহুরুল ইসলামের ছেলে নাইম আলী, আব্দুর রহিমের ছেলে রেজাউল করিম, আব্দুস সালামের ছেলে আল আমীন ও কামাল হোসেনের ছেলে কামরুল ইসলাম।

গুরুদাসপুর থানা পুলিশ জানায়, ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিষয় :