নাটোরে আটকের সময় বিএনপি কর্মীকে গণপিটুনি

নাটোরের বড়াইগ্রামে বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগে বিএনপির এক কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। আটকের পর পুলিশের গাড়িতে তোলার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণপিটুনি দিয়েছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাগডোব এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মফিজ উদ্দিন উপজেলার খাকসা এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে এবং স্থানীয় বিএনপির কর্মী হিসেবে পরিচিত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে একটি গভীর নলকূপের (ডিপ মোটর) সীমানা নিয়ে মফিজের সঙ্গে তার বড় ভাই ওমর আলী ও ভাগনে রুবেলের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এই ঘটনার জেরে মফিজ পার্শ্ববর্তী চাটমোহর এলাকা থেকে ৬-৭টি মোটরসাইকেলে করে দেশীয় অস্ত্রসহ ১৩-১৪ জন বহিরাগতকে নিয়ে আসেন। ভাড়াটে বাহিনী নিয়ে মফিজ প্রথমে তার আরেক বড় ভাই নাসির উদ্দিনকে মারধর করেন এবং হুমকি-ধমকি দেন। এরপর তারা চৌমহন এলাকায় ভাগনে রুবেলের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। তাণ্ডব শেষে মফিজ ভাড়াটে ক্যাডারদের বিদায় দিয়ে বাগডোব ঈদগাহ মাঠ এলাকায় অবস্থান নেন এবং হইচই শুরু করেন।
এদিকে তার আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে স্থানীয়রা তাকে একটি বাড়িতে অবরুদ্ধ করে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মফিজকে আটক করে। পরে তাকে থানা হেফাজতে নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত গ্রামবাসী পুলিশের উপস্থিতিতেই মফিজকে গণপিটুনি দেয়।
এ বিষয়ে নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম এশিয়া পোস্টকে বলেন, পারিবারিক বিরোধ ও হামলার অভিযোগে মফিজ উদ্দিনকে বড়াইগ্রাম থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।