logo

চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে এলএনজি-এলপিজিবাহী দুই জাহাজ

চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে এলএনজি-এলপিজিবাহী দুই জাহাজ

চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় একটি এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) ও একটি এলপিজিবাহী (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) জাহাজ পৌঁছেছে। পথে আছে আরও চারটি জাহাজ।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে বন্দর-সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বন্দর-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাহাজ দুটি নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত খালাস কার্যক্রম শুরু করবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বাংলাদেশ তার মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৮০ শতাংশ, এলএনজির ৬৫ শতাংশ এবং এলপিজির ৫১ শতাংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করেছে।

যদিও পরিশোধিত জ্বালানির বেশির ভাগই অন্যান্য এশীয় দেশ থেকে আমদানি করা হয়, এসব দেশও মূলত মধ্যপ্রাচ্যের অপরিশোধিত তেলের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ফলে দীর্ঘমেয়াদি কোনো সংকট দেখা দিলে বাংলাদেশও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা সৃষ্টি হয়। উদ্ভুত পরিস্থিতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করে ইরানি বাহিনী। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল বার্গেনিং ফোরাম এই অঞ্চলকে ‘যুদ্ধ এলাকা’ হিসেবে চিহ্নিত করায় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। গত ৩ মার্চ ওমান উপকূলে ড্রোন হামলার ঘটনা সেই আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দেয়। বর্তমানে পারস্য উপসাগরে তেল-গ্যাসবাহী দুটি বড় বাংলাদেশি ট্যাংকার আটকা পড়ে আছে।

মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্যাপ্টেন আনাম চৌধুরী জানান, ইরানের অনুমতি ছাড়া পারস্য উপসাগর থেকে হরমুজ হয়ে বর্তমানে কোনো জাহাজ আসার সুযোগ নেই। যুদ্ধ এলাকা হওয়ার কারণে বীমা কোম্পানিগুলো ‘ওয়ার প্রিমিয়াম’ বাড়িয়ে দিয়েছে; ফলে পণ্য পরিবহন খরচ এখন আকাশচুম্বী।