logo

চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের অবস্থান

চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের অবস্থান
চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে চট্টগ্রামের লালখান বাজার এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ছবি : এশিয়া পোস্ট

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফর ঘিরে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় নগরের লালখান বাজার এলাকার ফ্লাইওভারের মুখে তারা এ অবস্থান নেন। এ সময় চাকরিতে পুনর্বহালসহ ন্যায্য দাবি পূরণে সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘ দিন ব্যাংকিং খাতে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পর যথাযথ ন্যায়বিচার ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই তাদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ফলে তারা ও তাদের পরিবার মারাত্মক আর্থিক ও সামাজিক সংকটে পড়েছে।

চাকরিচ্যুত ব্যাংকাররা জানান, হঠাৎ কাজ হারিয়ে তাদের অনেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। পরিবারের ভরণপোষণ, সন্তানদের লেখাপড়া, চিকিৎসাসহ দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। বয়স পার হয়ে যাওয়ায় নতুন চাকরি পাওয়ার সুযোগও সীমিত হয়ে এসেছে। চরম অর্থসংকট ও দীর্ঘ অনিশ্চয়তায় পড়ে এরই মধ্যে কয়েকজন সহকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।

তারা জানান, কর্মস্থলে পুনর্বহাল, ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের এই অনিশ্চয়তা নিরসনে তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে তারা আবারও কর্মস্থলে ফিরে সম্মানজনকভাবে জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের এই আন্দোলন অবশ্য নতুন নয়। এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত জনসভায় হলুদ রঙের টি-শার্ট প্রদর্শন করে নিজেদের দাবি তুলে ধরেছিলেন বিভিন্ন ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ওই দিন সকালে নগরের হোটেল রেডিসন ব্লুর সামনেও চাকরি ফিরে পাওয়ার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছিলেন তারা।

আন্দোলনকারী চাকরিচ্যুত ব্যাংকার ইলিয়াস হোসেন বলেন, আমাদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যেন বিষয়টি দ্রুত সমাধানে উদ্যোগ নেন সেই প্রত্যাশা থেকেই আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।