সীমান্তে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে ঘিরে উত্তেজনা, বিজিবির হস্তক্ষেপে সমাধান

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্তে মাথাভাঙা নদীতে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে ঘিরে পুশইন চেষ্টার খবর পাওয়া গেছে। তবে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন। তাকে ভারত থেকে পুশইন করা হয়নি। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসফ) তাকে নিয়ে গেছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাতটা থেকে আটটার মধ্যে প্রাগপুর সীমান্তের জয়পুর এলাকার মাঝামাঝি মাথাভাঙা নদীতে ওই ব্যক্তিকে দেখতে পান স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যার পর বিএসএফ একজন ব্যক্তিকে নদীতে নামিয়ে দেয়। তাকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা নদীর পাড়ে জড়ো হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুললে বিএসএফ ওই ব্যক্তিকে আবার ফিরিয়ে নেয়। পরে নদীর অপর পারে আরও ১০ থেকে ১২ জনকে জড়ো হতে দেখা যায়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়–ওই ব্যক্তিকে আবার বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হতে পারে।
ওই এলাকার বাসিন্দা রাকিব হাসান বলেন, বিএসএফ মাথাভাঙা নদীতে একজনকে নামিয়ে দেয়। পরে আমাদের প্রতিরোধের মুখে তাকে উঠিয়ে নেয়। উঠিয়ে নেওয়ার পরও ওপারে বেশ কিছু মানুষ জড়ো হয়। তারা হয়তো সুযোগ খুঁজছিল, আমরা সরে গেলে আবার তাকে পাঠিয়ে দেবে। এ কারণে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি এশিয়া পোস্টকে বলেন, ওই ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন। সে সাঁতার কাটছিল। আমরা বিএসএফকে জানিয়েছি, ওই ব্যক্তি আমাদের লোক নয় এবং বাংলাদেশেরও কেউ নয়। ওই ব্যক্তি নিজেও বলতে পারছিল না সে কোথাকার।
তিনি বলেন, পরে আমরা বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠক (ফ্ল্যাগ মিটিং) করে বিষয়টি জানাই। এরপর বিএসএফ ওই ব্যক্তিকে নিয়ে চলে গেছে।
