logo
Advertisement

চলতি মৌসুমে সনাতন পদ্ধতিতে খুলবে সিলেটের পাথর কোয়ারি: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

এশিয়া পোস্ট নিউজ
এশিয়া পোস্ট নিউজ
সিলেট, সিলেট
চলতি মৌসুমে সনাতন পদ্ধতিতে খুলবে সিলেটের পাথর কোয়ারি:  প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: এশিয়া পোস্ট

চলতি মৌসুমে সিলেটের পাথর কোয়ারিগুলো খুলে দেওয়ার ব্যাপারে সরকার নীতিগতভাবে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তবে আদালতের নির্দেশনা মেনে গোয়াইনঘাটের জাফলংকে সংরক্ষিত রেখে বাকি এলাকাগুলোতে পাথর উত্তোলনের অনুমতি দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। চলতি মৌসুমেই এ বিষয়ে সুখবর আসতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেটের নিজ বাসভবনে এশিয়া পোস্টের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

আরিফুল হক চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় পাথর উত্তোলন নিয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে ছয়জন মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট সচিবদের নিয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটি আলাদা সভা করে একটি নীতিগত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

তিনি আরও জানান, আদালতের আদেশে সংরক্ষিত জাফলং এলাকাকে অক্ষত রেখে বাকি এলাকাগুলোতে সনাতন বা হস্তচালিত পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলনের পক্ষে এ কমিটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তবে মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, এর আগে একটি বিষয় আছে—যেহেতু মামলা মহামান্য হাইকোর্টে বিচারাধীন, তাই আমরা অপেক্ষায় আছি এবং আশা করছি আদালত থেকে একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে। আদালত থেকে যেদিন সিদ্ধান্ত আসবে, পরদিন থেকেই আমরা তা কার্যকরের ব্যবস্থা নেব।

চলতি মৌসুমে পাথর উত্তোলন শুরু হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আগে মামলার বাদীপক্ষ আদালতের সামনে তাদের বক্তব্য যথাযথভাবে উপস্থাপন করেননি। আমরা এবার তা যথাযথভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছি। সুতরাং, বাস্তবতার আলোকে আদালত একটি সিদ্ধান্ত দেবেন। আমরা বিশ্বাস করি, এই মৌসুমেই পাথর উত্তোলন শুরু হবে।

যান্ত্রিক উপায়ে পাথর উত্তোলনের ফলে জাফলং ও এর আশপাশের এলাকার পরিবেশ এবং প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই পরিস্থিতিতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কয়েক বছর ধরে সিলেটের পাথর কোয়ারিগুলো বন্ধ রয়েছে। এতে বেকার হয়ে পড়েন লক্ষাধিক শ্রমিক। বিভিন্ন সময়ে তারা যান্ত্রিক পদ্ধতি ছাড়া কেবল সনাতন পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে আন্দোলনও করেন। এ নিয়ে সরকারের মন্ত্রী পর্যায়েও দাবি তুলে ধরেন স্থানীয়রা।