logo

সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে চাপ বাড়লেও নেই যানজট

সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে চাপ বাড়লেও নেই যানজট

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে যানজটের দেখা মেলেনি। তবে যানবাহনের চাপ দ্বিগুণের মতো বেড়েছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, এদিন দুপুর পর্যন্ত যমুনা সেতুর পশ্চিম পাশ, কড্ডার মোড়, নলকা মোড় ও হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় যানবাহনের চাপ বেড়েছে। 

কড্ডার মোড় এলাকায় কথা হয় ঢাকা থেকে আসা ব্যবসায়ী সালাম হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ঈদে বাড়ি ফিরলাম মনে হলো না। আমাদের বাস যানজটের মধ্যে পড়েনি। 

সিরাজগঞ্জ জেলা শহরের বাসচালক শওকত আহমেদ বলেন, কাল সব ছুটি হয়েছে। যানবাহনের চাপ ব্যাপক বেড়েছে। তবে যানজট নেই।

ঈদের আগে ১৬ মার্চ ছিল শেষ কর্মদিবস। বিকেলের পর থেকেই রাজধানী ছাড়তে শুরু করেন কর্মজীবী মানুষ। পরদিন সোমবার (১৭ মার্চ) যমুনা সেতু দিয়ে ৩৫ হাজার ৬৫৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। 

সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা। রোববার পারাপার হয়েছিল ২৫ হাজার ৪৪০টি যানবাহন। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে ১০ হাজার ২১৮টি বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম এই মহাসড়ক ও যমুনা সেতু। বিকল্প সড়ক না থাকায় প্রতি ঈদে চাপ বাড়ে। তবে এবার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে স্বস্তির ঈদযাত্রার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

চার লেন প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ১৩টি আন্ডারপাস চালু করা হয়েছে, যা স্থানীয় যানবাহনের চাপ কমাতে সহায়তা করছে। হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ এলাকায় কাজ চলমান থাকলেও যান চলাচলে বড় কোনো বিঘ্ন দেখা যায়নি।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে যানবাহনের চাপ বাড়লেও সেতুর দুই প্রান্তে স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, দীর্ঘ সময়ের ছুটি। যানবাহনের চাপ বেড়েছে মহাসড়কে। জেলা পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। 

হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মুনতাছিরুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত রাস্তা স্বাভাবিক আছে। গাড়ির চাপ ধীরে ধীরে বাড়লেও, আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। এবারের ঈদ যাত্রা স্বস্তির হবে।