logo

বান্দরবানে ১৮ প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪ শিক্ষার্থী

বান্দরবানে ১৮ প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪ শিক্ষার্থী
বান্দরবান জেলা শিক্ষা অফিস। ছবি : জেলা শিক্ষা অফিস ওয়েবসাইট

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বান্দরবান জেলায় পাসের হার ৪২ শতাংশ। জেলার ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩ হাজার ৭৩৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৫৬৯ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ২ হাজার ১৬৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৪৪ জন শিক্ষার্থী।

জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোয়ান্টাম কসমো স্কুল অ্যান্ড কলেজে শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। অন্যদিকে বান্দরবান সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার মাত্র ১০.১২ শতাংশ। কোয়ান্টাম কসমো স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬০ জন শিক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭ জন।

এ ছাড়া আলীকদম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৯৩.৬২ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৯১.৮১ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ জন। মদিনাতুল উলুম মডেল ইনস্টিটিউট ফাজিল মাদ্রাসায় পাসের হার ৮৪.৫১ শতাংশ। নাইক্ষ্যংছড়ি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাস করেছে ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী।

অন্যদিকে জেলার বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে। বান্দরবান কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৫৮.১২ শতাংশ এবং বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় ৫৭.১৪ শতাংশ।

এ ছাড়া হেফাজতুর রহমান কলেজে ৪১.৬৮ শতাংশ, রোয়াংছড়ি কলেজে ৪২.৪৫ শতাংশ, বান্দরবান সরকারি কলেজে ৩৮.৯৪ শতাংশ, বান্দরবান সরকারি মহিলা কলেজে ৩৭.৭৯ শতাংশ, লামা সরকারি মাতামুহুরী কলেজে ৩৬.৮২ শতাংশ, হাজী এম এ কালাম সরকারি কলেজে ৩৫.৬৫ শতাংশ এবং লামা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ৩৫.২৯ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। বাইশারী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে পাসের হার ২৭.৯১ শতাংশ এবং রুমা সরকারি কলেজে ২২.৫৮ শতাংশ।

জেলার সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে বান্দরবান সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৭৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র ৮ জন। পাসের হার ১০.১২ শতাংশ। এ ছাড়া থানচি কলেজে ৫৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৩ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১৪.০৭ শতাংশ।

জেলার ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে চাইলে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, ‘বান্দরবান একটি পাহাড়ি ও দুর্গম অঞ্চল হওয়ায় এখানকার অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক শিক্ষার বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন নন। পাশাপাশি দারিদ্র্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকসংকটসহ নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এসব কারণে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে পরীক্ষার ফলাফলে।’

রবিউল ইসলাম

সম্পাদনা

রবিউল ইসলাম

সাব এডিটর | এশিয়া পোস্ট