logo

এক দিনেই ভেঙে গেল জিনারিয়ার বাঁধ, তলিয়ে যাচ্ছে হাওরের ধান

এক দিনেই ভেঙে গেল জিনারিয়ার বাঁধ, তলিয়ে যাচ্ছে হাওরের ধান

সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে ফসলরক্ষা বাঁধ ভাঙার আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই নতুন করে বিপত্তি দেখা দিয়েছে। 

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে উপজেলার গুরমার হাওরের অংশবিশেষ জিনারিয়ার হাওরের একটি বাঁধ ভেঙে গেছে। এতে করে তীব্র বেগে হাওরে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে বৌলাই নদীর পানির চাপে চামারদানী ইউনিয়নের মোকশেদপুর গ্রামের পূর্ব দিকের এই বাঁধটি ভেঙে যায়। বাঁধটি ভেঙে যাওয়ায় অন্তত ১০ হেক্টর জমির বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে বলে দাবি করছেন স্থানীয় কৃষকরা।

এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার সকালে সুমেশ্বরী নদীর শাখা মনাই নদীর পানির চাপে ইকরছড়ি (এরনবিল) হাওরের জামখলা খালের বাঁধ ভেঙে প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গিয়েছিল। সেই ঘটনার মাত্র এক দিনের মাথায় আবারও বাঁধ ভাঙার ঘটনা ঘটল।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, জিনারিয়া হাওরে চামরদানী ইউনিয়নের মোকশেদপুর, দরাপপুর, আছানপুর ও হরিপুর গ্রামের কৃষকদের ২৬ হেক্টরের বেশি জমি রয়েছে। অনেক কৃষক অর্ধেক ধান কাটতে পারলেও বাকি ধান নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, ভেঙে যাওয়া অংশটি বোরো ফসলরক্ষার স্থায়ী কোনো বাঁধ নয়। 

সুনামগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার বলেন, শুনেছি বৌলাই নদীর তীরের একটি ছোট বাঁধ ভেঙেছে। এটি আমাদের ফসলরক্ষা বাঁধের অন্তর্ভুক্ত নয়।

মধ্যনগর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় ঘোষ বলেন, বৌলাই নদীর তীরে একটি মাটির রাস্তা কাম বাঁধ ভেঙেছে। এই হাওরে চাষাবাদ হওয়া ২৬ হেক্টরের মধ্যে ১৫ হেক্টর ধান এরই মধ্যে কাটা হয়ে গেছে। বাকি জমির মধ্যে প্রায় ৬ হেক্টর নিমজ্জিত হতে পারে। ফলে ফসলের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা নেই।