জামালপুরে স্ত্রীকে হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড, কিশোরী অপহরণে ৩ জনের যাবজ্জীবন

জামালপুরে পৃথক দুই মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এরমধ্যে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা মামলার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড এবং এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণের মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত স্বামীকে পাঁচ লাখ টাকা এবং অপহরণ মামলায় একজনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১–এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হাফিজুল জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর এলাকার মৃত প্রধানের ছেলে। অন্যদিকে অপহরণ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি শামীম, সাদেক ও জালাল মিয়া জামালপুর সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ও বিষ্ণুপুর এলাকার বাসিন্দা।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১–এর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ফজলুল হক জানান, ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সকালে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ হনুফা বেগমকে মারধর করে হত্যা করেন তার স্বামী হাফিজুল। খবর পেয়ে গৃহবধূর পরিবার ভোলা থেকে এসে মরদেহ নিয়ে যায়। পরে ১৯ সেপ্টেম্বর বকশীগঞ্জ থানায় গৃহবধূর মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে ৫ জনের নামে হত্যা মামলা করেন। মামলায় ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত গৃহবধূর স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং অন্য ৪ জনকে খালাস দেন।
তিনি আরও জানান, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর সকালে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হরিপুর এলাকা থেকে অপহরণ করেন আসামিরা। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় মামলা করলে পুলিশ গাজীপুর জেলা থেকে তাকে উদ্ধার করে। এ মামলায় তিন জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে আসামি জালালকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, দুই মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত এ রায় দিয়েছেন। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।
.png)





