logo

৩ জনের মরদেহ পেয়েছি, এখনও ৬ জনের খোঁজ পাইনি: বেঁচে যাওয়া আশিক

৩ জনের মরদেহ পেয়েছি, এখনও ৬ জনের খোঁজ পাইনি: বেঁচে যাওয়া আশিক
আগুনে পুড়ে যায় টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্ট। ছবি : এশিয়া পোস্ট

কক্সবাজারের ইনানী পাটোয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকায় অবস্থিত টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে একই পরিবারের ৯ জন অবস্থান করছিল। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ওই পরিবারের ৮ জনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে জানালা দিয়ে লাফ দিয়ে বেঁচে যান একমাত্র আশিকুল ইসলাম আশিক।

অগ্নিকাণ্ডস্থল থেকে বেঁচে ফেরা আশিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলেন এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক। এ সময় স্ত্রীকে হারানো আশিক শোকে কাতর ও হতভম্ব হয়ে জানান, তিনি কথা বলতে পারছেন না। কথা বলার শক্তি খুঁজে পাচ্ছেন না।

তবু তিনি বলেন, ওই রিসোর্টে আমি, আমার স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যসহ মোট ৯ জন ছিলাম। আমি তিনজনের মরদেহ হাতে পেয়েছি, বাকি ছয়জনকে জীবিত বা মৃত এখনও খুঁজে পাইনি বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মারা যাওয়া অন্যরা আপনার সম্পর্কে কী হন, এমন প্রশ্নে আশিক বলেন, তারা আমার স্ত্রীর পরিবারের সদস্য।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভের পাটোয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকায় অবস্থিত টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে ৭ জন মৃতের নাম ও পরিচয় জানা গেছে। এ ছাড়া আরও ৬ জন আহত হয়েছেন।

অগ্নিকাণ্ডে মৃত ব্যক্তিরা হলেন, রাজধানী ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭), নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩), ফায়িজান আহম্মেদ (৫) ও ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতির স্ত্রী নাসরিন আক্তার মুক্তা।

এ ঘটনায় আহত ছয়জনকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে। তারা হলেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তার স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।