বগুড়ার দুই মহাসড়কে ১৭ ‘ব্ল্যাকস্পট’

টানা সাত দিনের ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় যানবাহনের চাপ বেড়েছে মহাসড়কে। এর মধ্যে ঢাকা-বগুড়া ও বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের ১৭টি ‘ব্ল্যাকস্পট’ এবারের ঈদযাত্রায় দুর্ভোগের কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, অটোরিকশার দৌরাত্ম্য, যেখানে-সেখানে পার্কিং এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান—সব মিলিয়ে যাত্রাপথে ভোগান্তির শঙ্কা থাকছে।
যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নানা প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। উত্তরের এই মহাসড়কগুলোতে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন, যানজটমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে হাইওয়ে পুলিশের চার শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। তবে যাত্রী ও পরিবহন চালকদের উদ্বেগ কাটেনি।
বগুড়া জেলা হাইওয়ে পুলিশের তথ্যানুযায়ী, ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো হলো; শাজাহানপুরের সাজাপুর ফটকি ব্রিজ, নয়মাইল বাজার, শেরপুর বাজার, মির্জাপুর, চান্দাইকোনা বাজার, ঘোগা ব্রিজ, বনানী বাস স্ট্যান্ড, চারমাথা, মাটিডালী মোড়, টিএমএসএস মেডিকেলের সামনে, মোকামতলা বাস স্ট্যান্ড এবং চৌকিঘাট-চন্ডিহারা এলাকা।
বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো হলো; শাকপলা মোড়, রানিরহাট বাস স্ট্যান্ড, কুন্দারহাট বাস স্ট্যান্ড এবং নন্দীগ্রাম বাস স্ট্যান্ড। এসব স্থানই দুর্ঘটনাপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত। এর মধ্যে চান্দাইকোনা বাজার ও মাটিডালী মোড়কে যানজটপ্রবণ এলাকা হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে হাইওয়ে পুলিশ।
উত্তরের পথের বাসচালক রাকিব ইসলাম এশিয়া পোস্টকে বলেন, এখন সড়কে বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন নেই। তবে রাতে পুলিশি উপস্থিতি বাড়ানো দরকার, যাতে ছিনতাই বা ডাকাতির ঘটনা না ঘটে। রাস্তার পাশে বাজার এলাকায় তদারকি বাড়ালেই যানজট হবে না।
মাইক্রোবাস চালক মাসুদ রানা বলেন, ঈদের সময় বাড়ি যাওয়া এবং কর্মস্থলে ফেরার সময় পুলিশি টহল বাড়ানো উচিত। এতে চুরি-ডাকাতির ভয় কমবে।
হাইওয়ে পুলিশ বগুড়া জোনের পুলিশ সুপার আবু তোরাব মো. শামসুর রহমান বলেন, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে আগে থেকেই পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে। যানজটপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারবে।