নুরের আসনে অনড় মামুন, মাঠেই থাকলেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনজুড়ে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনি হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পথ-প্রান্তর সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু নুর না মামুন- কে হবেন এমপি? এই কারণে পটুয়াখালী-৩ অন্যতম আলোচিত আসনে পরিণত হয়েছে। এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা হাসান মামুন। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের বিপক্ষে নির্বাচনি মাঠ ছাড়ছেন না তিনি।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা যায়, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাঁচ প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
জানা যায়, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে নুরুল হক নুরের প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন থাকলেও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদ্য বহিষ্কৃত সদস্য হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির কেন্দ্র থেকে নেতাকর্মীদের নুরের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে দলের একাংশ তা সাংগঠনিকভাবে অনুসরণ করেননি। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি একই দিনে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপি এবং গলাচিপা পৌর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় বিএনপি।
এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন বলেন, জনগণের সঙ্গে আমার প্রতিজ্ঞা ছিল- আমি নির্বাচন করব। সেই প্রতিজ্ঞা থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচনের মাঠে আছি। আমি রাজনীতি করি জনগণের জন্য, সবসময় তাদের পাশেই থাকব।
নুরুল হক নুর গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচন মানেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা। আমি কাউকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি না। এলাকার উন্নয়ন ও নিরাপত্তার প্রশ্নে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাকে ভোট দেবে। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি।