logo

গাজীপুরে চাহিদার তুলনায় কোরবানির পশু কম, প্রস্তুত ১১১ হাট

গাজীপুরে চাহিদার তুলনায় কোরবানির পশু কম, প্রস্তুত ১১১ হাট
ছবি : এশিয়া পোস্ট

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে গাজীপুরে শুরু হয়েছে পশু কেনাবেচা। এবার জেলায় চাহিদার চেয়ে প্রায় ৩০ হাজার কোরবানির পশু ঘাটতি রয়েছে। এসব পশু ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য জেলা ও সিটি করপোরেশনে প্রস্তুত করা হচ্ছে ১১১টি হাট।

খামারিরা বলছেন, গবাদি পশুগুলোকে খাওয়ানো হচ্ছে দেশীয় খাবার খড়, খৈল, ভুসি, চিটাগুড়, লবণ, চাল-ডাল ও ছোলারগুঁড়োসহ চাষ করা নেপিয়ার ঘাস। দাম এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে। ভারতীয় গরু প্রবেশ না করলে দাম ভালো পাবেন বলে আশা খামারিদের।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস জানায়, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে সিটি করপোরেশন ও জেলায় মোট ১ লাখ ২ হাজার ২৬৩টি পশু প্রস্তুত করেছেন খামারি ও গৃহস্থরা। এসব পশুর বিপরীতে জেলায় কোরবানির চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৫৩৬টি। ফলে ২৯ হাজার ২৭৩টি পশু ঘাটতি রয়েছে।

সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মোট ১৭টি হাট বসছে ঈদকে সামনে রেখে। এসব হাটের ইজারা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে জেলার মোট ৪টি উপজেলায় ৯৩টি হাট বসছে এবারের ঈদে।

গাজীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নারগিস খানম বলেন, জেলায় মোট ১ লাখ ২ হাজার ২৬৩টি পশু প্রস্তুত করেছেন খামারি ও গৃহস্থরা। এসব পশুর বিপরীতে জেলায় কোরবানির চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৫৩৬টি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পশু ঘাটতি পূরণ করবে।

এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় গাজীপুর সিটিকে ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট ও কোরবানি-পরবর্তী সব বর্জ্য অপসারণের জন্য সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই নগরীর পরিবেশ নষ্ট হতে দেওয়া হবে না।