পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে নারীকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ

দিনাজপুরের হাকিমপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে এক নারীকে একটি বাড়িতে কয়েক দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম। এর আগে সকালে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পাওনা টাকা চাইতে গেলে ওই নারীকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত হাকিমপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকায় মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমনের বাড়িতে আটকে রাখা হয়। এ সময় রুহুল আমিন ওরফে রিমন, শুকুর আলী (৫৫) ও ফেরদৌস মিয়া (৫০) তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্তরা ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখান।
শনিবার দিবাগত রাতে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে ওই বাড়িতে গিয়ে দুইজনকে আটক করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলার পর মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমন এবং মো. শুকুর আলীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অপর আসামি ফেরদৌস মিয়া পলাতক রয়েছেন।
এ বিষয়ে হাকিমপুর থানার ওসি বাদশা আলম বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
