টেকনাফে আগুনে পুড়ল ওয়ালটন-ভিশন শোরুমসহ ১০ দোকান

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা স্টেশনের জামাল কমপ্লেক্সে অগুন লেগে ওয়ালটন ও ভিশন শোরুমসহ অন্তত ১০টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। আগুন নেভাতে গিয়ে স্থানীয় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত আটটার দিকে হ্নীলা স্টেশনের জামাল কমপ্লেক্সে এ আগুনের সূত্রপাত হয়।
আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে কমপ্লেক্স ও আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা মালামাল সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, জামাল কমপ্লেক্সের একটি রঙের দোকানে বৈদ্যুতিক ওয়্যারিংয়ের কাজ চলার সময় আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। পরে আগুন পাশের একটি ম্যাট্রেস তৈরির প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়ে। সেখান থেকে ওয়ালটন ও ভিশন শোরুমসহ আশপাশের দোকানগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে টেকনাফ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। উখিয়া ফায়ার স্টেশনের আরও একটি ইউনিট সেখানে যোগ দেয়। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল আজিম সোহেল বলেন, জামাল কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় আবদুল মালেকের ওয়ালটন ও ভিশন শোরুম ছিল। আগুনে শোরুম দুটিসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কমপ্লেক্সে গ্রামীণ ব্যাংকের একটি শাখা, রঙ ও হার্ডওয়্যারের দোকানসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে তিনি জানান।
টেকনাফ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে ছেহের মিয়ার রঙের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানা গেছে। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার পর এর কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত করে নির্ধারণ করা হবে।
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এক থেকে দেড় কোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পূর্ণাঙ্গ হিসাব করতে কিছুটা সময় লাগবে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



