রংপুরে ৪ খুন/মুচলেকা নিয়ে সিদ্ধার্থের বাবা-ভাইকে ছাড়ল ডিবি

রংপুর নগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়ায় জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে ডিবি পুলিশ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রায় ছয় ঘণ্টা পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাস সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, চার খুন মামলার অন্যতম আসামি সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস এবং ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছিলে। যেহেতু পুলিশ তাদের এনেছিলে ফলে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার (২৩ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে রংপুর নগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাসা থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী ও ছেলে আয়ুস চক্রবর্তীর মরদেহ করে পুলিশ।
চারজনকে খুনের ঘটনায় পর দিন রোববার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস নামে দুজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানায় পুলিশ। একই দিন বিকেলে নিহতের গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই দিন রাতে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাদের দুইজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বর্তমানে আলোচিত এ মামলাটির তদন্তভার কোতয়ালী থানা থেকে বদল করে গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) দেওয়া হয়েছে। মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের ওসি জিনাত আলী এ মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা।


