logo
Advertisement

মাফ চেয়ে যুবদল নেতা বললেন ‘আর হবে না’

এশিয়া পোস্ট নিউজ, বগুড়া
মাফ চেয়ে যুবদল নেতা বললেন ‘আর হবে না’
যুবদল নেতা কামরুল হাসান বাবু। ছবি: সংগৃহীত

বগুড়ার সোনাতলা রেলস্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার পর লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হাসান বাবু। বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্থানীয় নেতাদের মধ্যস্থতায় স্টেশন মাস্টারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমঝোতা বৈঠকে লিখিত অঙ্গীকারনামা দেন তিনি।

Advertisement

লিখিত অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ করা হয়, রেলওয়ের জায়গায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় টয়লেট নির্মাণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণ ও স্টেশনকর্মীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থেকে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এমন ঘটনা ঘটা মোটেই উচিত হয়নি উল্লেখ করে ভবিষ্যতে স্টেশনে কর্মরত কারও সঙ্গে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটবে না বলে অঙ্গীকার করেন যুবদলের ওই নেতা।

সোনাতলা রেলস্টেশন মাস্টার রবিউল ইসলাম জানান, সমঝোতা বৈঠকের পর রাতেই ভাঙচুর করা কম্পিউটারটি সম্পূর্ণ মেরামত করে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ কাজে যোগ দিয়েছেন। বর্তমানে ট্রেনের সময়সূচিসহ স্টেশনের সব ধরনের সেবা ও কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

এর আগে বুধবার দুপুরে রেলওয়ের জায়গায় গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় স্টেশন মাস্টারসহ সাতজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মারধর এবং বুকিং কাউন্টারের একটি কম্পিউটার ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ জানানো হয়। পরবর্তীতে চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে কর্মবিরতিতে যান স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এদিকে রেলওয়ের জায়গায় টয়লেট নির্মাণের বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া জানান, রেলওয়ের জায়গায় টয়লেট নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা তাদের অধিদপ্তরের ছিল না। অধিদপ্তরকে না জানিয়ে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি ঠিকাদারের মাধ্যমে সেখানে একটি কমিউনিটি টয়লেট নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ অবৈধ স্থাপনাটি উচ্ছেদ করার পর প্রকল্পটি বাতিল করা হয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি সুরাহা হওয়ায় রেলস্টেশনের বর্তমান পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্টেশন মাস্টার রবিউল ইসলাম।

বিষয় :