ফোনে সেই নারীর খোঁজ নিলেন দুই উপদেষ্টা

নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক নারীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি এখনও। এ ঘটনায় এখনও মামলা না হলেও নোয়াখালী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ। এমন পরিস্থিতিতে ফোন করে ভুক্তভোগী নারীর খোঁজখবর নিয়েছেন পরিবেশ, বন ও তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দুই উপদেষ্টা ফোনে ওই নারীর খোঁজ নেন বলে নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম।
দুপুরের দিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, উপপরিদর্শক (এসআই) সায়মার নেতৃত্বে একজন নারী এএসআই, দুজন নারী কনস্টেবল ও তিনজন পুরুষ কনস্টেবল ভুক্তভোগীর পাশে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগও পাওয়া যায়নি। পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মামলা না করার কারণ জানতে চাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চানন্দি ইউনিয়ন ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রাণনাশের হুমকি পেয়ে ভুক্তভোগীর স্বামী হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপে পালিয়ে গেছে। তাকে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি এলে মামলা দায়ের করবেন।
ভুক্তভোগী নারীর দাবি, শুক্রবার রাতে হাতিয়া উপজেলায় তার বাড়িতে প্রবেশ করেন তিন ব্যক্তি। তাদের মধ্যে একজন ওই নারীকে ধর্ষণ করেন এবং দুজন এ সময় বাড়ির দরজায় পাহারা দিচ্ছিলেন। ঘটনার সময় তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়েছিল বলেও জানান ওই নারী। তার দাবি, জাতীয় নির্বাচনে তিনি ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।