‘অজুহাত’ দেখিয়ে স্বাধীনতা দিবসে ক্রীড়া অনুষ্ঠান বাদ দিলেন ইউএনও

মারামারি বা ঝামেলার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলা আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা নাহিদ।
সভা সূত্রে জানা যায়, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি নির্ধারণের সময় ফুটবল বা ক্রিকেট খেলা আয়োজনের বিষয়টি আলোচনায় ওঠে। অতীতে এ দুটি খেলাকে কেন্দ্র করে দিবসটি উপলক্ষে স্থানীয়ভাবে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হতো। তবে দল গঠনকে কেন্দ্র করে মারামারি বা বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকতে পারে—এমন যুক্তি তুলে ধরে ইউএনও খেলাগুলো আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত জানান। ফলে এবারের স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি থেকে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলা বাদ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে একই সভায় স্বাধীনতা দিবসের বিভিন্ন উপকমিটি গঠন করা হলেও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্র প্রতিনিধিদের নাম সেখান থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।
সভায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল ফারুকসহ উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং স্থানীয় সুধীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সিদ্ধান্তে বিতর্ক তৈরির প্রশ্নে ইউএনও রেজওয়ানা নাহিদ এশিয়া পোস্টকে বলেন, আমি প্রস্তাব দিয়েছিলাম। সবার সম্মতিতে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। বড়দের খেলা বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে ছোটদের খেলা হবে।